Recents in Beach

জান্নাতে নিখুত ও সর্ব্বোচ্চ আবেদনময়ী স্ত্রী - Islamic Stories(ইসলামী গল্প)

জান্নাতে নিখুত ও সর্ব্বোচ্চ আবেদনময়ী স্ত্রী
জান্নাতে নিখুত ও সর্ব্বোচ্চ আবেদনময়ী স্ত্রী - Islamic Stories(ইসলামী গল্প)
জান্নাতে-নিখুত-ও-সর্ব্বোচ্চ-আবেদনময়ী-স্ত্রী - ইসলামিক গল্প

জান্নাতের একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর উৎকৃষ্ট হবেন:

যেমন: আল্লাহ বলেন, “এবং এভাবেই হবে এবং আমরা তাদেরকে হুরের সাথে মিলিয়ে দিব ।”
আল্লামা হাফিয ইবনুল কাইয়্যুম (রহঃ) বলেন, “ঈমানদার এবং হুরের মধ্যে বিবাহের চুক্তির কথা এ আয়াতে বলা হয়নি । বরং আসল অর্থ হলো, আল্লাহ
জান্নাতী রমণীদের তাদের স্বামীদের নিখুঁত জোড়া বা সঙ্গী বানাবেন যেমন একটি জুতা অন্য জুতার জোড়া হয় ।


হুরদের তাদের স্বামীদের সাথে মিলিত হবার গভীর আগ্রহ এবং ইচ্ছা:
আলী (রাধিঃ) বর্ণনা করেন, মালাকুনরা (ফেরেশতারা) জান্নাতীদের জান্নাতের দরজায় অভ্যর্থনা জানাবে এবং বলবে, আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক । আপনি সৎকর্ম করেছেন সুতরাং জান্নাতে প্রবেশ করুন এবং এখানে আপনি চিরদিন থাকবেন । সংরক্ষিত ও ছড়ানো মুক্তার মত কিশোরেরাও তাঁদের অভ্যর্থনা জানাবে ।


আল্লাহ জান্নাতের বাসিন্দাদের জন্য যা তৈরি করে রেখেছেন সে ব্যাপারে উক্ত (কিশোরিরা) তাদের কাছে তথ্য সরবরাহ করবে এবং পৃথিবীতে যেভাবে বন্ধুরা একে অন্যের সেবা করতে চাইত সেভাবে তারা জান্নাতীদের পাশে থেকে সেবা করবে । একজন বালক বলবে, সন্তুষ্ট হও । কেননা, আল্লাহ তোমার জন্য এটা এবং ওটা তৈরি করেছেন । তারপর উক্ত বালক জান্নাতীর স্ত্রীদের একজনের কাছে যেয়ে বলবে, তোমার (প্রিয়তম) স্বামী অমুক এসেছে (পৃথিবীর নাম ব্যবহার করবে) । জান্নাতী স্ত্রী আনন্দে অভিভূত হয়ে যাবে এবং দরজায় দাঁড়িয়ে বলবে, ‘তুমি কি আসলেই তাকে দেখেছো’?
আবু সাঈদ (রাধিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “তারপর সে (জান্নাতী) তার ঘরে প্রবেশ করবে এবং হুরদের মধ্য হতে দু‘জন তার কাছে আসবে । হুরেরা বলবে, সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আপনাকে আমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদেরকে আপনার জন্য সৃষ্টি করেছেন । জান্নাতী বলবে, আমি যা (নিয়ামত) পেয়েছি তা অপর কেউই পায়নি ।”



জান্নাতী রমণীদের আগ্রহ এবং ভালবাসা শুধুমাত্র স্বামীদের প্রতি:
“এবং তাদের জন্য থাকবে সতী রমণী যারা তাদের দৃষ্টি শুধুমাত্র স্বামীদের প্রতি দিবে এবং সমবয়সী হবে ।” আল্লাহ এ সকল মহিলাদের শুধু মাত্র তাদের স্বামীদের প্রতি অনুরক্ত ও প্রীতিপূর্ণ করেছেন । তারা অন্য কাউকেও চাইবে না । এমন কি তারা তাদের দৃষ্টি কখনো স্বামী ছাড়া অন্য কারো দিকে দিবে না । এ আয়াতের অন্য ব্যাখ্যা হলো, এ সকল অবিবাহিত তরুণীরা এতই আকর্ষণীয় ও কল্পনাতীত রূপের অধিকারী হবে যে, তারা তাদের স্বামীদের দৃষ্টি তাদের প্রতি নির্দিষ্ট করে রাখবে । জান্নাতী রমণীরা তাদের স্বামীদের সম-বয়সী হবে যাতে তারা একে অন্যের তুলনা হয় এবং তাদের মধ্যে উৎকৃষ্ট সম্পর্ক তৈরি হয় ।


স্বামীদের প্রতি হুরদের ভালবাসা ও সংযুক্ততা:
মুয়ায ইবনে জাবাল (রাধিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসুল (সাঃ) বলেন, “যদি পৃথিবীর কোন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয় তাহলে হুরদের মধ্য থেকে তার স্ত্রীরা বলে, তাকে বিরক্ত করো না, তোমার কি সমস্যা! তিনি (জান্নাতী) তোমার কাছে শুধুমাত্র ক্ষণিকের মেহমান এবং অতিশীঘ্রই তিনি তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবে ।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ